
এর আগে গত ২১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক, জাহের আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৪ জুন দিন ধার্য করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে জাহের আলভী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপমানজনক ও মানসিকভাবে নির্যাতনমূলক বিভিন্ন পোস্ট দিতেন। এছাড়া বিবাহিত থাকা অবস্থায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে উসকানিমূলক মন্তব্যসহ ফেসবুকে পোস্ট করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ মার্চ বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি বাসায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইকরাকে ঝুলন্ত দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
এ ঘটনায় একই দিন রাতে ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।



